মেনু নির্বাচন করুন

দর্শনীয় স্থান

ক্রমিক নাম কিভাবে যাওয়া যায় অবস্থান
জেলা জামে মসজিদ

যদি বলি নোয়াখালীতে আসলে নোয়াখালী বলে বনে এলাকা নেই। মানে নোয়াখালী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যার নিজ নামে কোন শহর নেই। নোয়াখালী জেলা শহর এর নাম মাইজদী নামে পরিচিত। নদীগর্ভে মূল শহর বিলীন হয়ে গেলে ১৯৫০ সালে জেলার সদর দপ্তর  মাইজদীতে স্থানান্তর করা হয়।  নোয়াখালী জেলার প্রাচীন নাম ছিল ভুলুয়া। নোয়াখালী সদর থানার আদি নাম সুধারাম।   ১৬৬০ সালে এখানকার কৃষি উন্নয়নের জন্য বিশাল খাল খনন করা হয়, এরপর এই এলাকা  “নোয়াখালী” হিসাবে পরিচিতি লাভ করতে শুরু করে এবং ১৮৬৮ সালে ভুলুয়ার পরিবর্তে নোয়াখালী নাম ব্যবহার দাপ্তরিকভাবে শুরু হয়। জেলার সদর উপজেলার দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী জেলা জামে মসজিদ।

জেলা জামে মসজিদ

ঢাকা থেকে বাসে বা ট্রেনে করে মাইজদী আসা যায়।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নোয়াখালী জেলা শহর থেকে আট কিলোমিটার দক্ষিণে সোনাপুর-সুবর্ণচর সড়কের পশ্চিম পাশে একশ এক একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত এবং আরও একশ একর জায়গা অধিগ্রহন প্রক্রিয়াধীন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ তলা বিশিষ্ট প্রশাসনিক ভবন, ৫ তলা ও ১০ তলা বিশিষ্ট দুইটি একাডেমিক ভবন, আলাদাভাবে লাইব্রেরি ভবন এবং অডিটোরিয়াম ভবন রয়েছে । ২০১৮ এর জানুয়ারিতে আরেকটি একাডেমিককাম ল্যাব ভবনের কাজ শুরু হয়েছে যার আয়তন ৪ লক্ষ ৩২ হাজার বর্গফুট যা ২০২০ সালে উদ্বোধন হবে এবং তখন এটিই হবে বাংলাদেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সর্ববৃহৎ একাডেমিক ভবন । বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩টি আবাসিক হল যথাক্রমে ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হল এবং বিবি খাদিজা হল রয়েছে । এছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল এবং শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে যাদের মধ্যে একটি বাংলাদেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বৃহত্তম ছাত্রী হল।

ঢাকা থেকে বাসে বা ট্রেনে সোনাপুর। সেখান থেকে রিক্সা বা গাড়িতে করে ক্যাম্পাস।



Share with :

Facebook Twitter