মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ব্যবসা বানিজ্য

 

ব্যবসা বাণিজ্য

শিল্প কারখানার দিক দিয়ে নোয়াখালী অতীতকাল থেকেই অবহেলিত এবং অনগ্রসর। জন সম্পদে এ জেলার ঐতিহ্য থাকলেও শিল্প সহাপনে সরকারী ও বেসরকারী তেমন কোন উদ্যোগ নেই বললেই চলে। এ জেলারই বহু অধিবাসী দেশের বিভিন্ন সহানে বড় বড় শিল্পকারখানা সহাপন করেছেন। অথচ এ জেলার জনগণ কাজের খোঁজে দেশ-বিদেশে হন্য হয়ে বেড়াচ্ছে। এত অনীহা এবং অবহেলা সত্তেবও কিছু শিল্প কারখানা সহাপিত হয়েছে। নিন্মে নোয়াখালী সদর উপজেলাধীন কিছু ভারীশিল্প প্রতিষ্ঠান এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময়ী কিছু মৎস চাষ প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি উপস্থাপন করা হলোঃ

০১।    হাবিব ভেজিটেবল প্রোডাক্টস লিঃ

মেসার্স অাল অামিন ব্রেড এন্ড বিস্কুটস্ ফ্যাক্টরীর উদ্যোক্তা অালহাজ্ব হাবিবুর রহমানের বিশেষ প্রেরণায় তাঁর বড় ছেলে জনাব অানোয়ার মির্জার অক্লামত পরিশ্রম ও প্রচেষ্ঠায় এবং তাঁর অন্যান্য ভাই জনাব সারোয়ার মির্জা, জনাব অাত্তুার মির্জা, জনাব অাজিজ উল্যা ও জনাব অাফজল মির্জার সহযোগিতায় ১৯৮৭ সালে নোয়াখালী জেলার শহরের সদর উপজেলাধীন মাইজদী বাজারে মেসার্স হাবিব ভেজিটেবল প্রোডাক্টস লিঃ সহাপিত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যাংকের অর্থায়ন এবং নিজেদের অর্থসহ প্রায় ১২ কোটি টাকার মূলধন ব্যয়ে পশ্চিম জার্মানীর সর্বাধুনিক প্রযুত্তিুতে অামতর্জাতিক মান সম্পন্ন ভোজ্য তেল শোধানাগার এবং বনস্পতি প্রসতুতকারী এ বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৫ একর ভূ-সম্পত্তির উপর সহাপিত। বৎসরে প্রায় ৫৪ হাজার টন তৈল উৎপাদনে সক্ষম এ প্রকল্পে ১৯৮৮ সাল থেকে উৎপাদন শুরত হয়েছে। এ বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ৩০০ শ্রমিক কর্মচারী নিয়োজিত থেকে জেলার বেকার সমস্যা সমাধানসহ জাতীয় অর্থনীতি উন্নয়নে বিরাট অবদান রাখছে। চেয়ারম্যান অালহাজ্ব হাবিবুর রহমান এর মৃত্যর পর তাঁর উত্তরসূরী ভাইস চেয়ারম্যান জনাব সারোয়ার মির্জা, ব্যবসহাপনা পরিচালক জনাব অাফজল মির্জা সমন্বয়ে পরিচালনা পর্ষদের তত্তবাবধানে এ বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটি অার্থিক সমস্যা এবং লোকসানের সম্মুখীন হলে তাঁদের অগ্রজ জনাব আনোয়ার মির্জার নিকট প্রতিষ্ঠানটি বিত্রিু করে দেন। সে থেকে অদ্যাবধি উৎপাদন প্রত্রিুয়া অব্যাহত থাকলেও তা আজো কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছেনি।

০২।   অাল অামিন ব্রেড এন্ড স্কিুটস লিঃ

মেসার্স অাল অামিন ব্রেড এন্ড বিস্কুটস ফ্যাক্টরী ১৯৭৬ সালে নোয়াখালী জেলার কেন্দ্রস্থল নোয়াখালী সদর উপজেলাধীন মাইজদী বাজারে সহাপিত হয়। মাইজদী বাজারসহ জেলা শহরের প্রধান সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত এককালের ঐতিহ্যবাহী মোহাম্মদী বিস্কুট ফ্যাক্টরী এবং চৌমুহনী বাজারে সহাপিত মোসতফা বিস্কুট ফ্যাক্টরীর মালিক অালহাজ্ব জনাব হাবিবুর রহমানের প্রেরণায় তাঁরই বড় ছেলে জনাব অানোয়ার মির্জার উদ্যোগে এবং অক্লামত পরিশ্রমে ব্যত্তিু মালিকানায় ব্যাংক ঋণ এবং নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা পুঁজি ব্যয়ে ১৯৭৭ সালে মেসার্স অাল-অামিন ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীর ১ম ইউনিটের উৎপাদন শুরত হয়। প্রায় ২ একর সম্পত্তির উপর অবসিহত অাধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত এ ফ্যাক্টরীতে বর্তমানে ৩ ইউনিটে উৎপাদন চলছে। প্রতিদিন অানুমানিক ২০ টন বিভিন্ন উন্নত মানের বিস্কুট উৎপাদনে সক্ষম এ ফ্যাক্টরীতে জেলার সহস্রাধিক শ্রমিক কর্মচারী তথা প্রায় ১০ হাজার পরিবারের অার্থিক সংকট নিরসনে বিরাট অবদান রাখছে। এ ফ্যাক্টরীর উৎপাদিত বিস্কুটস্ সামগ্রী সমগ্র দেশে খ্যাতি লাভ করায় দিন দিন এর চাহিদা বাড়ছে। উত্তু প্রকল্পটি সহাপনে অন্যান্য সহায়তকারী উদ্যোত্তুা যারা ছিলেন তারা হলেন জনাব সারোয়ার মির্জা, জনাব অাত্তুার মির্জা ও অাজীজ উল্যা প্রমুখ।

আল-আমিন গ্রতপের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ অানোয়ার মির্জা নোয়াখালী জেলা শহরের উপকণ্ঠে বিনোদপুর গ্রামে ৩৩ একর জমি সরকার থেকে লীজ দিয়ে প্রথমে মেসার্স ফারহানা টেক্সটাইল মিলস্ লিঃ সহাপনে পরিকল্পনা নেন। পরে প্রকল্প পরিকল্পনা পরিবর্তন করে উত্তু সহানে কোমন পানীয় ও কারখানা সহাপন করেন। বর্তমানে উত্তু প্রকল্প চালু আছে। এতে নোয়াখালী জেলার কয়েক হাজার বেকার যুবক ও যুবমহিলার কর্মসংসহানের সুযোগ হয়েছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখছে।

এছাড়াও পরবর্তীতে আরো অনেক গুলো ছোট ছোট শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলায়।

 

ছবি


সংযুক্তি



Share with :
Facebook Twitter