মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা

’একাত্তররে মুক্তযিুদ্ধ’ হাজার বছররে বাঙালী জাতরি ইতহিাসে এক অসাধারণ গৌরব গবরে অবস্মিরণীয় ঘটনা। মুক্তযিুদ্ধে নোয়াখালীবাসীর অনন্য ভূমকিা ও কৃতত্বির্পূণ অবদান ইতহিাসরে পাতায় বীরগাথা র্গব গৌরবরে অধ্যায় হসিবেে চরিদনি অম্লান হয়ে থাকব।ে

মুক্তযিুদ্ধরে প্রাক্কালে ২৬  র্মাচ নোয়াখালীর জলো প্রশাসক র্সাকটি হাউজে র্সবদলীয় এবং গন্যমান্য ব্যক্তদিরে সমন্বয়ে এক আলোচনা সভা আহবান করনে। সে সভায় তনিি স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমানরে নর্দিশেরে কথা উপস্থতি ব্যক্তর্বিগওে কাছে উপস্থাপন করনে। সভায় উপস্থতি ছলিনে জলোর সরকারি অফসিরে র্কমর্কতা সহ অন্যান্য বশিষ্টি ব্যক্তবিৃন্দ। সভায় সকলইে যার যা কছিু আছে তা নয়িে সংগ্রামে ঝাপয়িে পড়ার শপথ ননে।

২৬ র্মাচ টাউন হলে মরহূম রফকি উল্যাহ কমান্ডাররে নতেৃত্বে সনোবাহনিী, আনসার, পুলশি, ইপআির, আওয়ামলিীগ, ছাত্রলীগরে সদসবৃন্দ একত্রতি হয়ে একটি দল গঠন করা হয়। দলটি প্রাথমকি  র্পযায়ে ফনেী কারগিারি মহাবদ্যিালয়ে অবস্থানরত পাকবাহনিীর উপর হামলা চালায়। সল্প সময়রে মধ্যে দলটি দলটি পশ্চমিা সনোবাহনিীকে পরাজতি করে মাইজদীতে ফরিে আস।ে

মাইজদী টাউন হলে এরই মধ্যে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। স্থানীয় প্রশাসনকে মুক্তযিোদ্ধাদরে সাহায্যরে জন্য আহবান জানানো হয়। আহবানে সারা দয়িে জলো প্রশাসন, পুলশি বভিাগ র্পুণাঙ্গভাবে সহযোগতিা করনে। চারদকিে তখন যুদ্ধরে প্রস্ত্ততি শুরু হয় । মাইজদী পুলশি লাইন (র্বতমানে পুলশি ট্রনেংি সন্টোর) ম্যাগজনি থকেে ধার করা অস্ত্র দয়িে যুদ্ধংদহেী তরুন ছাত্র, শ্রমকি, বৃদ্ধদওে সবাইকে প্রশক্ষিণরে ব্যবস্থা নয়ো হয়ছে।ে এরই মধ্যে মুক্তবিাহনিী  গঠন করার জন্য এম, পি নুরুল হক ময়িার আহবানে জলো প্রশাসকরে পরার্মশক্রমে জলো র্আমড র্সাভসিসে র্বোডরে সক্রেটোরী সফকিুর রহমানরে স্বাক্ষরে সনোবাহনিীর প্রাক্তন ও ছুটতিে আসা সদস্যদরে আহবান করা হয় প্রশক্ষিণক্যাম্পে রপর্িোট করার জন্য। নুরুল হক ময়িাকে প্রশাসন থকেে জীপ দয়ো হয় বভিন্নি স্থান থকেে সদস্য সংগ্রহ করার জন্য। মাইজদীতে প্রাইমারী ট্রনেীং ইনস্টটিউিট (পি টি আই) এ একট,ি ফণেীর মজিান ময়দান ও মাদ্রাসা মলিয়িে একটি এবং ফনেী স্কুলে একটি অস্ত্র প্রশক্ষিন শবিরি স্থাপন করা হয়। এ সকল ট্রনেংি সন্টোওে হাজার হাজার মুক্তযিোদ্ধা অংশগ্রহণ করনে।

প্রাথমকি র্পযায়ে প্রতরিোধ যুদ্ধ ছলি বক্ষিপ্তি ও আঞ্চলকি ভত্তিতি।ে অবশষেে ১৭ এপ্রলি মুজবি নগরে আনুষঠানকিভাবে সবাধীন বাংলাদশেরে অসহায়ী সরকার গঠতি হলে বাংলাদশেরে মুক্তি যুদ্ধওে গতি নুতন অধ্যায়রে সুচনা কর।ে এ সময় ঢাকাসহ সমগ্র বাংলাদশেরে প্রায় শহরাঞ্চল হানাদার বাহনিীর কবলতি হলওে বৃহত্তর নোয়াখালীর সমগ্র এলাকা ছলি পাক হানাদার মুক্ত। এখানে ২২ এপ্রলি র্পযমত বাংদশেরে পতাকা উড়ছেলি এবং এখানকার প্রশাসন নোয়াখালীর কন্দ্রেীয় সংগ্রাম পরষিদরে নয়িমত্রণে ছলি।

ইতোমধ্যে পাকসনোদরে আগমন পথে বাধার সৃষটির জন্য লাকসাম, নীলকমল, চর জববর, শুভপুর প্রভৃতি সহানে প্রতরিোধ ব্যবসহা গড়ে তোলা হয়। সুবদোর লুৎফর রহমান ও সুবদোর সামছল হকরে নতেৃত্বে ৪ এপ্রলি লাকসামরে উত্তরে বাঘমারায় প্রথম সংর্ঘষ হয়। এরপর ১০ এপ্রলি লাকসামে সম্মুখ যুদ্ধে মাত্র ৭০জন মুক্তযিোদ্ধা দয়িে পরচিালতি যুদ্ধে ২৬জন হানাদার সন্যৈ নহিত ও ৬০ জনকে আহন করা হয়। ২০ এপ্রলি নাথরে পটেুয়াত,ে ২১ এপ্রলি সোনাইমুড়ী রলে স্টশেনরে আউটার সগিনালরে কাছ,ে ১ মে বগাদয়িায় নায়কে সরিাজরে নতেৃত্বে সম্মুখ যুদ্ধে ১৫/২০ জন পাকসনো নহিত হয়। সে যুদ্ধে ২জন বীর মুক্তি যোদ্ধা শহীদ হন।

৯ মে সুবদোর ওয়ালি উল্যার নতেৃত্বে পুনরায় বগাদয়িায় যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে নায়কে সুবদোর ওয়ালি উল্যার কপালে গুলি লাগে এবং তনিি আহন হন। ১০ মে বাংলা বাজাররে র্পুবদকিে পাক সনোদরে সাথে যুদ্ধ হয়, ১১ মে সুবদোর ওয়ালি উল্যাহ এবং নায়কে আবুল হোসনে, লক্ষমীপুররে হাবলিদার মতনিরে নতেৃত্বে মীরগঞ্জে খান সনোদরে সাথে সম্মুখ যুদ্ধে কয়কে জন পাকসনো নহিত হয় এবং অপর খান সনোরা পালয়িে যায়। এখনে খান সনোদরে ফলেে যাওয়া বহু অসএ শসএ মুক্তি যোদ্ধাদরে হস্তগত হয়।  এছাড়া ১৩ মে রামগঞ্জরে নকিট, ১৪ মে বপিুলাশার রলে স্টশেন,ে ১৫ মে বগাদয়িায় পুনরায় যুদ্ধ হয়। ২৬ মে দালাল বাজারে সুবদোর লুৎফর রহমানরে নতেৃত্বে নায়রে আবুল হোসনে, নায়রে সুবদোর ইসহাক ও সুবদোর ওয়ালি উল্যাহ অসম সাহসীকতার পরচিয় দনে। ২৮ মে সুবদোর ওয়ালি উল্যা মাইন দ্বারা সাহবেজাদার পুলটি ধ্বংস কর।ে এতে লাকসাম-নোয়াখালীর যোগাযোগ বচ্ছিন্নি হয়ে যায়।

বলিোনয়িাসহ নোয়াখালীকে ২নং সক্টেররে অধীনে আনা হয় এবং ৫টি জোনে ভাগ করা হয়। ২নং সক্টেররে প্রধান ছলিনে মজের খালদে মোশারফে (এপ্রলি-সপ্টেমেবর) এবং মজেন এটএিম হায়দার (সপ্টেমেবর-ডসিমেবর) এ বাহনিী কে র্ফোস নামে পরচিতি ছলি। জোনগুলোর নামকরণ করা হয় যথাক্রমে এ, ব,ি স,ি ড,ি ই এবং হাতয়িাকে আলাভাবে রাখা হয়। তাছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম ট্রাঙ্ক রোড়রে পাশর্বেও এলাকাকে নোয়াখালী মুক্তযিুদ্ধ পরচিালতি হয়। জলো সদররে র্পুবাঞ্চলরে ডি জোনরে কমান্ডার ছলিনে রফকি উল্যাহ। মুজবি বাহনিীর কামান্ডার হন এ অদুদ পওে আবুল কাসমে। এ মুক্তি যোদ্ধাদরে অধীনে কোম্পানীগঞ্জ, চাপরাশরি হাট, মঞিার হাট, মৃধার হাট, কালামুন্সী প্রভৃতি এলাকা ছলি। জলো সদররে পশ্চমিে সি জোনরে কমান্ডার ছলিনে আলী আহম্মদ চৌধুরী ও অন্যান্যরা হাবলিদার সরিাজ উল্যাহ, শাহ আলম বকুল দায়ত্বি পালন করনে। এ জোনরে অধীনে ছলি মাইজদী, রামগঞ্জ, ংচন্দ্রগঞ্জ, ভবানীগঞ্জ, লক্ষমীপুর, খলফিার হাট, বাধরেহাট, ওদার হাট ও বাংলা বাজার।

ইতমিধ্যে বৃহত্তর নোয়াখালীর ব.িএল.এফ এর অধনিায়ক জনাব মাহমুদুর রহমান বলোয়তে (সাবকে এম.প.ি চাটখলি উপজলো) এবং সহ-অধনিায়ক এডভোকটে মমনি উল্যা ব.িএল.এফ কে সুসংগঠতি করে হানাদার বাহনিীর উপর তীব্র আত্রুমণ রচনা করনে। প্রথমাবসহায় সদর র্পূবাঞ্চল, কোম্পানীগঞ্জ ও সোনাগাজী এলাকায় জনাব আবদুর রজ্জোকরে কমান্ডে মোসতফা কামাল, নজিাম উদ্দনি ফারতকসহ বএিলএফ এর একটি দল বশে কয়কেটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করনে এবং সফলতা র্অজন করনে। এ সকল যুদ্ধে বএিলএফএর বীর সদস্য ছালহে আহম্মদে (যাঁর নামে চৌমুহনী সরকারি কলজেরে নামকরণ করা হয়), আবদুর রব, বাবু, মোঃ ফারতক, মোঃ ইসমাইল, আবু নাসরেসহ আরো অনকেে শহীদ হন। এ সময় তৎকালীন ডাকসুর সমাজ সবো সম্পাদক অহদিুর রহমান অদুদ সুধারাম থানা এবং ওবায়দুল কাদরে কোম্পানীগঞ্জ থানা বএিএলএফ এর কমান্ডার নযিুত্তু হন। কবরিহাট, চাপরাশরি হাট, বসুরহাট ও তালমোহাম্মদরে হাটরে যুদ্ধসহ তারা যৌথভাবে সদর, কোম্পানীগঞ্জে বশে কয়কেটি যুদ্ধ পরচিালনা করনে। তালমোহাম্মদরে হাটরে যুদ্ধে সদর বএিলএফ কমান্ডার অহদিুর রহমান অদুদ শহীদ হলে এনাম আহসানকে সদর র্পূব ও ফজলুল হক বাদলকে সদর পশ্চমি বএিলএফ এর দায়ত্বি প্রদান করা হয়।

          অবশষেে এফএফ ও বএিলএফসহ সম্মলিতি বাহনিীর বীর যোদ্ধাদরে চরম আত্রুমণে পাক হানাদার ও তাদরে দোসর বাহনিীর পরাজয় ও পশ্চাদগমনরে মধ্য দয়িে ৭ ডসিম্বের ১৯৭১ নোয়াখালী পাহানাদার মুত্তু হলে গ্রামগঞ্জ থকেে অজস্র বজিয় মছিলি এসে নোয়াখালী টাউনকে মছিলিে মছিলিে মুখরতি করে তোল।ে অবশষেে ৭ ডসিম্বের ১৯৭১ আমাদরে স্বাধীনতার ইতািহাসে রচতি হলো নোয়াখালী মুত্তুির অবস্মিরনীয় ইতহিাস।’একাত্তররে মুক্তযিুদ্ধ’ হাজার বছররে বাঙালী জাতরি ইতহিাসে এক অসাধারণ গৌরব গবরে অবস্মিরণীয় ঘটনা। মুক্তযিুদ্ধে নোয়াখালীবাসীর অনন্য ভূমকিা ও কৃতত্বির্পূণ অবদান ইতহিাসরে পাতায় বীরগাথা র্গব গৌরবরে অধ্যায় হসিবেে চরিদনি অম্লান হয়ে থাকব।ে

মুক্তযিুদ্ধরে প্রাক্কালে ২৬  র্মাচ নোয়াখালীর জলো প্রশাসক র্সাকটি হাউজে র্সবদলীয় এবং গন্যমান্য ব্যক্তদিরে সমন্বয়ে এক আলোচনা সভা আহবান করনে। সে সভায় তনিি স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমানরে নর্দিশেরে কথা উপস্থতি ব্যক্তর্বিগওে কাছে উপস্থাপন করনে। সভায় উপস্থতি ছলিনে জলোর সরকারি অফসিরে র্কমর্কতা সহ অন্যান্য বশিষ্টি ব্যক্তবিৃন্দ। সভায় সকলইে যার যা কছিু আছে তা নয়িে সংগ্রামে ঝাপয়িে পড়ার শপথ ননে।

২৬ র্মাচ টাউন হলে মরহূম রফকি উল্যাহ কমান্ডাররে নতেৃত্বে সনোবাহনিী, আনসার, পুলশি, ইপআির, আওয়ামলিীগ, ছাত্রলীগরে সদসবৃন্দ একত্রতি হয়ে একটি দল গঠন করা হয়। দলটি প্রাথমকি  র্পযায়ে ফনেী কারগিারি মহাবদ্যিালয়ে অবস্থানরত পাকবাহনিীর উপর হামলা চালায়। সল্প সময়রে মধ্যে দলটি দলটি পশ্চমিা সনোবাহনিীকে পরাজতি করে মাইজদীতে ফরিে আস।ে

মাইজদী টাউন হলে এরই মধ্যে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। স্থানীয় প্রশাসনকে মুক্তযিোদ্ধাদরে সাহায্যরে জন্য আহবান জানানো হয়। আহবানে সারা দয়িে জলো প্রশাসন, পুলশি বভিাগ র্পুণাঙ্গভাবে সহযোগতিা করনে। চারদকিে তখন যুদ্ধরে প্রস্ত্ততি শুরু হয় । মাইজদী পুলশি লাইন (র্বতমানে পুলশি ট্রনেংি সন্টোর) ম্যাগজনি থকেে ধার করা অস্ত্র দয়িে যুদ্ধংদহেী তরুন ছাত্র, শ্রমকি, বৃদ্ধদওে সবাইকে প্রশক্ষিণরে ব্যবস্থা নয়ো হয়ছে।ে এরই মধ্যে মুক্তবিাহনিী  গঠন করার জন্য এম, পি নুরুল হক ময়িার আহবানে জলো প্রশাসকরে পরার্মশক্রমে জলো র্আমড র্সাভসিসে র্বোডরে সক্রেটোরী সফকিুর রহমানরে স্বাক্ষরে সনোবাহনিীর প্রাক্তন ও ছুটতিে আসা সদস্যদরে আহবান করা হয় প্রশক্ষিণক্যাম্পে রপর্িোট করার জন্য। নুরুল হক ময়িাকে প্রশাসন থকেে জীপ দয়ো হয় বভিন্নি স্থান থকেে সদস্য সংগ্রহ করার জন্য। মাইজদীতে প্রাইমারী ট্রনেীং ইনস্টটিউিট (পি টি আই) এ একট,ি ফণেীর মজিান ময়দান ও মাদ্রাসা মলিয়িে একটি এবং ফনেী স্কুলে একটি অস্ত্র প্রশক্ষিন শবিরি স্থাপন করা হয়। এ সকল ট্রনেংি সন্টোওে হাজার হাজার মুক্তযিোদ্ধা অংশগ্রহণ করনে।

প্রাথমকি র্পযায়ে প্রতরিোধ যুদ্ধ ছলি বক্ষিপ্তি ও আঞ্চলকি ভত্তিতি।ে অবশষেে ১৭ এপ্রলি মুজবি নগরে আনুষঠানকিভাবে সবাধীন বাংলাদশেরে অসহায়ী সরকার গঠতি হলে বাংলাদশেরে মুক্তি যুদ্ধওে গতি নুতন অধ্যায়রে সুচনা কর।ে এ সময় ঢাকাসহ সমগ্র বাংলাদশেরে প্রায় শহরাঞ্চল হানাদার বাহনিীর কবলতি হলওে বৃহত্তর নোয়াখালীর সমগ্র এলাকা ছলি পাক হানাদার মুক্ত। এখানে ২২ এপ্রলি র্পযমত বাংদশেরে পতাকা উড়ছেলি এবং এখানকার প্রশাসন নোয়াখালীর কন্দ্রেীয় সংগ্রাম পরষিদরে নয়িমত্রণে ছলি।

ইতোমধ্যে পাকসনোদরে আগমন পথে বাধার সৃষটির জন্য লাকসাম, নীলকমল, চর জববর, শুভপুর প্রভৃতি সহানে প্রতরিোধ ব্যবসহা গড়ে তোলা হয়। সুবদোর লুৎফর রহমান ও সুবদোর সামছল হকরে নতেৃত্বে ৪ এপ্রলি লাকসামরে উত্তরে বাঘমারায় প্রথম সংর্ঘষ হয়। এরপর ১০ এপ্রলি লাকসামে সম্মুখ যুদ্ধে মাত্র ৭০জন মুক্তযিোদ্ধা দয়িে পরচিালতি যুদ্ধে ২৬জন হানাদার সন্যৈ নহিত ও ৬০ জনকে আহন করা হয়। ২০ এপ্রলি নাথরে পটেুয়াত,ে ২১ এপ্রলি সোনাইমুড়ী রলে স্টশেনরে আউটার সগিনালরে কাছ,ে ১ মে বগাদয়িায় নায়কে সরিাজরে নতেৃত্বে সম্মুখ যুদ্ধে ১৫/২০ জন পাকসনো নহিত হয়। সে যুদ্ধে ২জন বীর মুক্তি যোদ্ধা শহীদ হন।

৯ মে সুবদোর ওয়ালি উল্যার নতেৃত্বে পুনরায় বগাদয়িায় যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে নায়কে সুবদোর ওয়ালি উল্যার কপালে গুলি লাগে এবং তনিি আহন হন। ১০ মে বাংলা বাজাররে র্পুবদকিে পাক সনোদরে সাথে যুদ্ধ হয়, ১১ মে সুবদোর ওয়ালি উল্যাহ এবং নায়কে আবুল হোসনে, লক্ষমীপুররে হাবলিদার মতনিরে নতেৃত্বে মীরগঞ্জে খান সনোদরে সাথে সম্মুখ যুদ্ধে কয়কে জন পাকসনো নহিত হয় এবং অপর খান সনোরা পালয়িে যায়। এখনে খান সনোদরে ফলেে যাওয়া বহু অসএ শসএ মুক্তি যোদ্ধাদরে হস্তগত হয়।  এছাড়া ১৩ মে রামগঞ্জরে নকিট, ১৪ মে বপিুলাশার রলে স্টশেন,ে ১৫ মে বগাদয়িায় পুনরায় যুদ্ধ হয়। ২৬ মে দালাল বাজারে সুবদোর লুৎফর রহমানরে নতেৃত্বে নায়রে আবুল হোসনে, নায়রে সুবদোর ইসহাক ও সুবদোর ওয়ালি উল্যাহ অসম সাহসীকতার পরচিয় দনে। ২৮ মে সুবদোর ওয়ালি উল্যা মাইন দ্বারা সাহবেজাদার পুলটি ধ্বংস কর।ে এতে লাকসাম-নোয়াখালীর যোগাযোগ বচ্ছিন্নি হয়ে যায়।

বলিোনয়িাসহ নোয়াখালীকে ২নং সক্টেররে অধীনে আনা হয় এবং ৫টি জোনে ভাগ করা হয়। ২নং সক্টেররে প্রধান ছলিনে মজের খালদে মোশারফে (এপ্রলি-সপ্টেমেবর) এবং মজেন এটএিম হায়দার (সপ্টেমেবর-ডসিমেবর) এ বাহনিী কে র্ফোস নামে পরচিতি ছলি। জোনগুলোর নামকরণ করা হয় যথাক্রমে এ, ব,ি স,ি ড,ি ই এবং হাতয়িাকে আলাভাবে রাখা হয়। তাছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম ট্রাঙ্ক রোড়রে পাশর্বেও এলাকাকে নোয়াখালী মুক্তযিুদ্ধ পরচিালতি হয়। জলো সদররে র্পুবাঞ্চলরে ডি জোনরে কমান্ডার ছলিনে রফকি উল্যাহ। মুজবি বাহনিীর কামান্ডার হন এ অদুদ পওে আবুল কাসমে। এ মুক্তি যোদ্ধাদরে অধীনে কোম্পানীগঞ্জ, চাপরাশরি হাট, মঞিার হাট, মৃধার হাট, কালামুন্সী প্রভৃতি এলাকা ছলি। জলো সদররে পশ্চমিে সি জোনরে কমান্ডার ছলিনে আলী আহম্মদ চৌধুরী ও অন্যান্যরা হাবলিদার সরিাজ উল্যাহ, শাহ আলম বকুল দায়ত্বি পালন করনে। এ জোনরে অধীনে ছলি মাইজদী, রামগঞ্জ, ংচন্দ্রগঞ্জ, ভবানীগঞ্জ, লক্ষমীপুর, খলফিার হাট, বাধরেহাট, ওদার হাট ও বাংলা বাজার।

ইতমিধ্যে বৃহত্তর নোয়াখালীর ব.িএল.এফ এর অধনিায়ক জনাব মাহমুদুর রহমান বলোয়তে (সাবকে এম.প.ি চাটখলি উপজলো) এবং সহ-অধনিায়ক এডভোকটে মমনি উল্যা ব.িএল.এফ কে সুসংগঠতি করে হানাদার বাহনিীর উপর তীব্র আত্রুমণ রচনা করনে। প্রথমাবসহায় সদর র্পূবাঞ্চল, কোম্পানীগঞ্জ ও সোনাগাজী এলাকায় জনাব আবদুর রজ্জোকরে কমান্ডে মোসতফা কামাল, নজিাম উদ্দনি ফারতকসহ বএিলএফ এর একটি দল বশে কয়কেটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করনে এবং সফলতা র্অজন করনে। এ সকল যুদ্ধে বএিলএফএর বীর সদস্য ছালহে আহম্মদে (যাঁর নামে চৌমুহনী সরকারি কলজেরে নামকরণ করা হয়), আবদুর রব, বাবু, মোঃ ফারতক, মোঃ ইসমাইল, আবু নাসরেসহ আরো অনকেে শহীদ হন। এ সময় তৎকালীন ডাকসুর সমাজ সবো সম্পাদক অহদিুর রহমান অদুদ সুধারাম থানা এবং ওবায়দুল কাদরে কোম্পানীগঞ্জ থানা বএিএলএফ এর কমান্ডার নযিুত্তু হন। কবরিহাট, চাপরাশরি হাট, বসুরহাট ও তালমোহাম্মদরে হাটরে যুদ্ধসহ তারা যৌথভাবে সদর, কোম্পানীগঞ্জে বশে কয়কেটি যুদ্ধ পরচিালনা করনে। তালমোহাম্মদরে হাটরে যুদ্ধে সদর বএিলএফ কমান্ডার অহদিুর রহমান অদুদ শহীদ হলে এনাম আহসানকে সদর র্পূব ও ফজলুল হক বাদলকে সদর পশ্চমি বএিলএফ এর দায়ত্বি প্রদান করা হয়।

          অবশষেে এফএফ ও বএিলএফসহ সম্মলিতি বাহনিীর বীর যোদ্ধাদরে চরম আত্রুমণে পাক হানাদার ও তাদরে দোসর বাহনিীর পরাজয় ও পশ্চাদগমনরে মধ্য দয়িে ৭ ডসিম্বের ১৯৭১ নোয়াখালী পাহানাদার মুত্তু হলে গ্রামগঞ্জ থকেে অজস্র বজিয় মছিলি এসে নোয়াখালী টাউনকে মছিলিে মছিলিে মুখরতি করে তোল।ে অবশষেে ৭ ডসিম্বের ১৯৭১ আমাদরে স্বাধীনতার ইতািহাসে রচতি হলো নোয়াখালী মুত্তুির অবস্মিরনীয় ইতহিাস।

ছবি


সংযুক্তি

8a24dbdf12d77616e78a42c8f071498d.pdf 8a24dbdf12d77616e78a42c8f071498d.pdf



Share with :
Facebook Twitter